স্থান : আলোকি কনভেনশন সেন্টার, গুলশান-তেজগাঁও লিংক রোড, ঢাকা
তারিখ: ২৪ মে ২০২৬, রোববার
সময়: সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত গুগল ম্যাপ লিংক
নিবন্ধন ও প্রবেশপত্র
বাংলাদেশের যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা (প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া) নিবন্ধনের মাধ্যমে কিশোর আলো কার্নিভ্যাল ২০২৬-এ অংশ নিতে পারবে।
অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে একজন অভিভাবক (বাবা অথবা মা) কার্নিভ্যালে অংশ নিতে পারবেন। একই নিবন্ধন ফরমেই অভিভাবকের তথ্যাবলি দিয়ে তাঁর নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে।
অংশগ্রহণকারীর ভাই–বোন, চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাই–বোন বা বন্ধুরা অংশ নিতে চাইলে তাদের আলাদা নিবন্ধন করতে হবে।
এই অনলাইন নিবন্ধন শেষে নিবন্ধনকারী তার ই–মেইলে একটি ছবিযুক্ত ই–টিকিট পাবে, যা উৎসবের ‘প্রবেশপত্র’ হিসেবে বিবেচিত হবে।
প্রবেশপত্রটি সঙ্গে আনতে হবে অথবা স্ক্রিনশট দেখাতে হবে।
কিশোর আলোর ২০২৬-এর যেকোনো সংখ্যা সঙ্গে আনতে হবে।
কারও কাছে কিশোর আলো ২০২৬ সালের যেকোনো সংখ্যা না থাকলে অনুষ্ঠান প্রবেশগেটে কিশোর আলো কিনতে পাওয়া যাবে। গ্রাহক হতে যোগাযোগ করুন: ০১৭০৮-৪১১৯৯৬
প্রবেশপত্রে যে অভিভাবকের নিবন্ধন থাকবে, তিনি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে প্রবেশ করতে পারবেন না। নিবন্ধনকারীরা অভিভাবক ছাড়াও প্রবেশ করতে পারবে।
উৎসব প্রাঙ্গণে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবকেরা যেকোনো সময় অংশগ্রহণকারী ও তার অভিভাবকের পরিচয় নিশ্চিত হতে পরিচয়ের প্রমাণপত্র দেখতে চাইতে পারেন। এ ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদ/জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/ প্রতিষ্ঠানের আইডি ইত্যাদির কপি সঙ্গে রাখা ভালো।
নিবন্ধনের সময় যে নম্বর প্রদান করবে, প্রয়োজনে সেই নম্বরে যোগাযোগ (টেক্সট মেসেজ বা ফোন) করা হবে।
প্রবেশ ও বাহির
কিআ কার্নিভ্যাল হবে সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত। একজন অংশগ্রহণকারী এ সময়ের মধ্যে উৎসব প্রাঙ্গণে সর্বোচ্চ তিনবার প্রবেশ করতে পারবে।
প্রথমবার প্রবেশ করার সময় প্রবেশপত্র নিরীক্ষা করা হবে। নিবন্ধনের সময় দেওয়া তথ্যের সঙ্গে অংশগ্রহণকারী বা তার অভিভাবকের কোনো অমিল বা অসংগতি পাওয়া গেলে উৎসব প্রাঙ্গণে প্রবেশ করা যাবে না।
উৎসব প্রাঙ্গণে প্রবেশ করার সময় প্রবেশকারীর হাতে একটি বিশেষ সিল দেওয়া হবে। উৎসব প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে আবার প্রবেশ করতে গেলে এই সিল প্রদর্শন করতে হবে।
উৎসব প্রাঙ্গণ
উৎসব প্রাঙ্গণে কোনো ইন্টারনেট বা প্রিন্ট-সুবিধা ও তাৎক্ষণিক নিবন্ধন (স্পট রেজিস্ট্রেশন) থাকবে না।
উৎসব প্রাঙ্গণে খাবারের উচ্ছিষ্ট নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফেলতে হবে।
উৎসব প্রাঙ্গণ সম্পূর্ণরূপে ধূমপান ও মাদকমুক্ত থাকবে। তাই এ ধরনের কোনো দ্রব্য নিয়ে প্রবেশ করা যাবে
না।
উৎসবের সব আয়োজনের আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও শব্দ ধারণ করা হবে। সুতরাং একজন অংশগ্রহণকারী ও তার অভিভাবক উৎসব প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলেই এ বিষয়ে তাদের অনাপত্তি নিশ্চিত বলে বিবেচিত হবে।
উৎসব প্রাঙ্গণে কারও ব্যক্তিগত জিনিস হারানো গেলে কর্তৃপক্ষ কোনো অবস্থাতেই এর দায়ভার গ্রহণ করবে না।
নিরাপত্তা
নিরাপত্তার স্বার্থে কর্তৃপক্ষ উৎসবে আসা যেকোনো ব্যক্তিকে যেকোনো সময় তল্লাশি করার অধিকার সংরক্ষণ করে। যদি কোনো ব্যক্তি, বিষয় বা বস্তু নিরাপত্তার জন্য বিঘ্ন কিংবা আপত্তিকর বলে প্রতীয়মান হয়, তবে কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় যে কাউকে উৎসব প্রাঙ্গণ থেকে সরিয়ে দিতে এবং প্রয়োজনবোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সোপর্দ করতে পারে।
উৎসব প্রাঙ্গণ ও এর আশপাশের এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত থাকবে।